উলভসকে একহালি গোল দিয়ে শুরু ম্যানসিটির
উলভসের মাঠে শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণে ছিল ম্যানসিটি। ১৯ মিনিটে বার্নার্দো সিলভার ক্রসে আরলিং হালান্ডের হেড গোলপোস্টের ওপর দিয়ে যায়।
এরপর কিছুটা বিপদ তৈরি করে উলভস। দুইবার ম্যানসিটির জালে বল ফেলে তারা। তবে স্বাগতিকদের কোনো গোলই কার্যকর হয়নি। মুনেতসি ও বেলেগার্দের দুটি গোলই অফসাইডের কারণে বাতিল হয়ে যায়।
এরপর মাত্র তিন মিনিটের ব্যবধানে ম্যানসিটির জার্সিতে মাত্রই অভিষিক্ত তিজানি রেইনডার্সের জাদুকরী মুহূর্তে খেলা ঘুরে যায়। প্রথমে তার চিপ করা পাসে রিকো লুইস বল বাড়ান হালান্ডকে, যিনি সহজে গোল করেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই রেইনডার্স নিজেই গোল করেন দুর্দান্ত নিচু শটে, অস্কার ববের সহায়তায়। এতে ম্যানসিটি এগিয়ে যায় ২-০ গোলে।
বিরতির পর উলভস কিছু সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারেনি। বরং ৬০ মিনিটে ট্র্যাফোর্ডের লম্বা পাস থেকে আক্রমণ শুরু করে রেইনডার্স, বল আদান-প্রদানের পর আবারও হালান্ডকে অ্যাসিস্ট দেন। হালান্ড বক্সের বাইরে থেকে নিখুঁত শটে স্কোরলাইন বাড়ান ৩-০ তে। যা নরওয়েজিয়ান ফরোয়ার্ডের দ্বিতীয় গোল।
শেষ দিকে বদলি নামা রায়ান শেরকি মাত্র ৮ মিনিট পরেই দুর্দান্ত দূরপাল্লার শটে চতুর্থ গোল করেন। তাতে বড় জয় নিশ্চিত হয় ম্যানসিটির।
ম্যাচ শেষে গার্দিওলা বলেন, প্রথমার্ধ দারুণ ছিল। দ্বিতীয়ার্ধে আমরা ট্রানজিশনে তাদের পরাস্ত করেছি। তবে ওরা অনেক সময় ভালো খেলেছে। সিজনের শুরুতে এটাই স্বাভাবিক। ফলটা ভালো, তবে এর বেশি কিছু না।
আপনার মূল্যবান মতামত দিন
মন্তব্যসমূহ (1)
Gowtam kumar
yes footballer
